জিমেইল প্রতিটি অপশনের কাজ

  

Gmail এ Index, Starred, Snoozed, Chart, Sent, Drafts, Important, Schedule, All Mail, Spam, Trash, Categories, Manage Labels, New Babels অপশনের কাজ ।

  1. সঠিক ভাবে জিমেইল (Gmail) একাউন্ট খোলার নিয়ম । 
  2. Compose এর মাধ্যমে মেইল কিভাবে পাঠাবেন । 
  3. জিমেইল Password ভুলে গেলে কিভাবে বের করবেন/কিভাবে Password Change করবেন । 
  4. যেকোনো ID & Password ভুলে গেলে কিভাবে বের করবেন ।

Gmail এ Index, Starred, Snoozed, Chart, Sent, Drafts, Important, Schedule, All Mail, Spam, Trash, Categories, Manage Labels, New Babels প্রতিটি অপশনের কাজ বিস্তারিত ভাবে নিচে দেওয়া হলো : 




ইনবক্স (Inbox):

  1. মেইল জমা: আপনার ইমেইল ঠিকানায় যদি কেউ মেইল পাঠায় তখন সেটি সবার আগে আপনার Inbox এ জমা হয়ে থাকে । 
  2. Inbox মেইল সাজানো : Inbox এ আপনার মেইলগুলোকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সাজাতে পারবেন যেমন : Primary, Social, Promotions, Updates, Forums ইত্যাদি । 
  3. দেখা হয়টি এমন মেইল চিহ্নিত করা : আপনার Inbox এ যে মেইলটি আপনি এখনো দেখেনটি সেটি কিভাবে বুঝবেন এটির একমাত্র উপায় হলো যে মেইলটি দেখেনটি সেটি Bold আকারে থাকবে । 
  4. Search ব্যবহারে সুবিধা : আপনার Inbox এ অনেক গুলো মেইল থাকতে পারে এবং সেখান থেকে আপনার যে মেইলটি দরকার সেটি আপনি সার্চ্ এর মাধ্যমে খুব সহজে খোজেঁ বের করতে পারেন ।

 স্টারড (Starred):

  1. আপনার গুরুত্বপূর্ণ্ মেইল গুলো চিহ্নিত করা : কোনো ইমেইলে পাশে স্টার দিয়ে রাখলে সেটা বুঝপবে মেইলটি আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ্ । 
  2. সহজে খুজে বের করা : স্টার নামে জিমেইল এর বাম পাশে আলাদা ফোল্ডার থাকে । সেখানে শুধু স্টার দেওয়া মেইলগুলো জমা হয় । 

স্নুজড (Snoozed):

  1. গুরুত্বপর্ণ মেইল সড়ানো : আপনি যদি আপনার গুরুত্বপর্ণ্ মেইল গুলো এক জায়গায় আনতে চান বা লুকাতে চান তাহলে Snoozed ব্যবহার করুন চ্যাট 
চ্যাট (Charts): 

  1. Google Sheets বা Google Charts ব্যবহার : আপনি যদি Google Drive অথবা Google Sheet থেকে Chart তৈরি করে সেটি ইমেইল এর মাধ্যমে যদি মেইল করে শেয়ার করেন তাহলে Gmail এ সেই সার্টটি ছবির মতো করে দেখাবে ।  

সেন্ড (Sent):

  1. Sent করা মেইল সংরক্ষণ হওয়া : আপনি যখন কানো কাছে কোনো মেইল পাঠান তখন সেটি একটি কপি হয়ে সেটি Sent Floder চলে আসে । 
  2. Sent করা মেইল দেখা ও Sent হয়েছে কিনা দেখা : আপনি আগে কাকে কি লিখে মেইল করেছেন এবং কি মেইল করেছেন সেগুলো এখান থেকে দেখা যায় । আপনার মেইলটি সফলভাবে সেন্ড হয়েছে কিনা এখান থেকে দেখতে পারবেন । 
  3. সেন্ড করা মেইল ফরওয়ার্ড্ বা এডিট করা : সেন্ড করা যেকোনো মেইল আপনি চাইলে সেটি এডিট করে সেটি আবার যেকোনো মেইল এর মাধ্যমে সেন্ড বা ফরওয়ার্ড্ করা যায় । 

ড্রাফটস (Drafts):

  1. Drafts হওয়ার কারণ : আাপনি যখন একটি ইমেইল লিখতে মুরু করেন কিন্তু সেটি সেন্ড করেননি বা ইমেইল লিখা শেষ করেননি তখন জিমেইল সেটাকে Drafts ফোল্ডারে সেভ হয়ে যায় । 

ইমপোটেন্ড(Important):

  1. এটি Snoozed এর মতো কাজ করে থাকে । 
  2. আপনার যে মেইলটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ্ সেটি এখানে সেভ করে রাখা যায় । 

সিডিউল(Schedule):

  1. আপনি যেকোনো মেইল লিখে সেটি পরবর্তী যেকোনো তারিখ বা সময় সেট করে দিলে সেই মেইলটি সেই তারিখে এবং যে সময় দিবেন সেই সময়ে সেন্ড হবে । 
  2. আপনি যেকোনো মেইল অগ্রীম লিখে সেটি তারিখ এবং সময় সেট দিন সেটি সেই সময় বা তারিখে সেন্ড হবে । 

অল মেইল(All Mail):

  1. Gmail এ থাকা আপনার সব গুলো মেইল এখানে এসে জমা হয় । 
  2. এখানে Inbox, Sent, Drafts, Archived সব গুলো মেইল এখানে একসাথে দেখা যায় । 
  3. এখানে সবগুলো মেইল থাকায় সার্চ্ করে যেকোনো মেইল এখান থেকে আনা যায় । 
  4. এখানে কোনো ডাবল বা ডুবলিকেইট মেইল দেখায় না । 

স্প্যাম (Spam):

  1. আপনার Inbox এ আসা অপ্রয়োজনীয়, ঝুঁকিপূর্ণ্ মেইল, ফেক অফার, আপনার Inbox থেকে আলাদা করার জন্য Spam ব্যবহার করা হয় । 
  2. Spam Floder সরিয়ে এটি আপনার Inbox কে নিরাপদ রাখে । 

ট্রাস(Trash):

  1. এটির কাজ হলো আপনি যদি কোন সময় জিমেইল থেকে কোন মেইল Delete বা Remove করেন তাহলে সেটি Trash ফোল্ডারে এসে জমা হয় । 
  2. কোনো মেইল ভুল করে বা অন্য কোনো কারণে যদি ডিলিট হয়ে যায় তাহলে সেটি Trash এসে জমা হয় । 

ক্যাটেগরি(Categories): 

  1. আপনার জিমেইল এ বিভিন্ন মেইল গুলোকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে রাখে । 
  2. Primary : আপনার গুরুত্ব্বপূণ এবং ব্যক্তিগত মেইল গুলো এখানে এসে জমা হয় । 
  3. Social : Facebook, Instagram, Twitter,Linkedn ইত্যাদি আপনার সকল সোশ্যল মিডিয়ার মেইল গুলো এখানে থাকে । 
  4. Promotions : বিভিন্ন অফারিং মেইল , ডিসকাউন্ট ও নিউজলেটার ইত্যাদি মেইল গুলো এখানে জমা দেখা যায় । 
  5. Updates : বিভিন্ন বিল, রসিদ, Report,অ্যাপ আপডেট মেইল সবগুলো এখান থেকে দেখতে পারবেন । 

ম্যানেজ লেভেল(Manage Labels):

  1. বাম পাশে থাকা Gmail এ বিভিন্ন লেভেল গুলো আপনি চাইলে দেখাতে ও লুকাতে পারবেন । 
  2. Gmail লেভেল গুলো হলো যেমন Inbox, Sent, Drafts, Spam, Trash, All Mail, Categories ইত্যাদি । 
  3. আপনি চাইলে নিজ থেকে আপনার লেভেল গুলো সাজাতে পারবেন । 

নিউ লেভেল(Create New Label):

  1. আপনি এখান থেকে নিউ লেভেল তৈরি করতে পারেন আবার Manage Labels থেকেও লেভেল তৈরি করতে পারেন । 
  2. আপনি চাইলে নিজের ইচ্ছা অনুয়ায়ী লেভেল লিখতে পারেন যেমন Family, Study, Bills, ইত্যাদি নামেও আপনি আপনার নিজেরে পছন্দ অনুযায়ী লেভেল লিখতে পারেন । 





 

Post a Comment

0 Comments