ডাটা অ্যাডমিনিস্টেটরে কাজ গুলো কী কী ?


ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর কী? ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর কাজ কী ? ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর মাসিক বেতন কত ? ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর কী কী জ্ঞান ও দক্ষতা থাকতে হয়

  1. ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর কী/ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর কাকে বলে /কাকে ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বলা হয়?
  2. একজন ডেটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয় ?একজন ডেটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হওয়ার জন্য কী কী শিখতে হবে ? ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এর মাসিক আয় কত ?
  3. ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটররা কোথায় এবং কোন কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে থাকেন ?

একজন ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এর কাজ কী ? একজন ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রধান দায়িত্ব গুলো কী কী ?

একজন ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রধান দায়িত্ব হলো কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের ডাটাবেস সিস্টেমকে সঠিকভাবে চালু ও নিরাপদ রাখা, প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন তথ্য বা ডাটাকে সঠিকভাবে সংগঠিত করা, নিরাপদ ও ব্যবহারযোগ্য করে তোলাই হচ্ছে একজন ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এর প্রধান দায়িত্ব । ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এর মধ্যে প্রধান কাজ ও দায়িত্ব গুলোর মধ্যে রয়েছে যেমন: ডাটাবেস তৈরি করা ও ডেটা সেটআপ করা, ডাটা গুলোকে ঠিকভাবে সংরক্ষণ করা,ডাটাকে রক্ষণাবেক্ষণ করা বা আপডেট দেওয়া, ডাটাকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বা ডাটা অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রন করা, ডেটাবেজে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা, সংগ্রহিত ডাটা গুলোর রিপোর্ট্ তৈরি করা ইত্যাদি এই গুলোই হলো একজন ডেটাবেজের প্রধান কাজ ও দায়িত্ব । 

একজন ডাটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এর প্রধান কাজ হলো : 

ডাটাবেস তৈরি ও সেটআপ করা :

  1. প্রতিষ্ঠানের চাহিতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন ডাবাবেস তৈরি করা । 
  2. ডাটাবেস এর বিভিন্ন টুলস ব্যবহার করে টেবিল, ইনডেক্স ইত্যাদি ডিজাইন করা এবং ডাটাবেসকে সেটআপ করা । 

ডাটা সংরক্ষণ করা : 

  1. বিভিন্ন জায়গা থেকে ডাটা সংগ্রহ করে সেগুলোকে ডাটাবেসে সংরক্ষণ করা । 
  2. ডাটাকে দ্রুত সার্চ্ করলে পাওয়া যায় এমন ভাবে ডাটা সাজাতে হবে যাতে ব্যবহারে সুবিধা হয় । 

ডাটা সংগঠন ও পরিকল্পনা করা : 

  1. ডাটাবেজে তথ্য সংগ্রহ করার পর তথ্য গুলো কীভাবে সংরক্ষণ করা হবে তার নীতি ও কাঠামো নির্ধারণ করতে হবে । 

ডাটাবেস রক্ষণাবেক্ষণ করা :

  1. ডাটাবেসকে নিয়মিত আপডেট করা । 
  2. ডাটাবেসকে নিয়মিত ক্লিন আপ বা বেকআপ করা । 

ডাটাবেসকে নিয়মিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা : 

  1. ডেটাবেজকে অননুমোদিত প্রবেশ রোধ করা বা ডাটাকে হ্যাকিং থেকে সুরক্ষা দেওয়া । 
  2. ইউজার পারমিশন নিয়ন্ত্রন করা কে কোন ডাটা দেখতে পারবে বা ব্যবহার করতে পারবে সেই জন্য ইউজার এক্সেস কন্ট্রোল করা । 

ডাটা অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করা : 

  1. ডাটাবেজে তথ্য গুলো কাকে কোন তথ্য দেখাতে হবে তার সঠিক ব্যক্তিকে সঠিক তথ্য ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া । 
  2. ডাটা ব্যবহার পর্যবেক্ষণ ও লগ সংরক্ষণ করা । 

ডেটাবেজে সমস্যা সমাধান করা : 

  1. ডেটাবেজে কোনো ত্রুটি বা সমস্যা দেখা দিলে তা দ্রুত সমাধান করা । 

রিপোর্ট্ তৈরি করা  : 

  1. বিভিন্ন ডেটা বিশ্লেষণ করে সেগুলো থেকে রিপোর্ট্ তৈরি করা যা একটি প্রতিষ্ঠানে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে । 

ডেটা কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট নিয়ন্ত্রন করা :

  1. ডেটাবেজে বিভিন্ন ডেটার সঠিকতা, সামঞ্জস্যতা ও সম্পূর্ণ্তা নিশ্চিত করা ।  
  2. ডেটাবেজ বিশ্লেষণ করে ডুপ্লিকেট ডেটা মুছে ফেলা বা অপসারণ করা ।  
  3. ডাটার সঠিকতা এবং নির্ভ্র যোগতা রজায় রাখা ও ভুল ,অনুপযুক্ত ডেটা পরিষ্কার করা । 


Post a Comment

0 Comments